• ফখরুদ্দিন মইন উদ্দিনের কারাগারে ৬১৬ দিন

    এই পণ্যটি ৪ থেকে ৭ দিনের মধ্যে ডেলিভারি পাবেন

    Title ফখরুদ্দিন মইন উদ্দিনের কারাগারে ৬১৬ দিন
    Author
    Publisher
    Country বাংলাদেশ
    Language বাংলা

     

    ২০০৭ সনের ২৮ জানুয়ারী ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান হওয়ার জন্য নির্ধারিত ছিল। মনোনয়ন প্রত্যাহারের দিনে হঠাৎ করে আওয়ামী লীগ জোট নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ায়। ফলে দেশে একটি একতরফা নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। দেশে এক তরফা নির্বাচন অনুষ্ঠান হলে জাতিসংঘ থেকে, আমাদের শান্তিরক্ষা বাহিনী ফেরত পাঠানো হবে। এ রকমের অজুহাত সৃষ্টি করে সেনাবাহিনীর প্রধান মইন উদ্দিন আহম্মদ প্রেসিডেন্টকে ১১ জানুয়ারি, ২০০৭ তারিখে দেশে জরুরী আইন ঘোষণা করতে বাধ্য করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর ফখরুদ্দিনের নেতৃত্বে ১০ সদস্য বিশিষ্ট একটি তত্ত্বাবধায়ক নামে একটি জরুরী সরকার গঠন করা হয়। সেনাসমর্থিত এই জরুরী সরকার রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে দুই নেত্রীকে “মাইনাস টু” এবং দেশকে বিরাজনীতিকরণের এক ঘৃণ্য পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসাবে প্রথমে দুইটি বড় দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক দূর্নীতির অভিযোগ এনে গ্রেফতার শুরু করে। রাজনৈতিক নেতাদের সাথে কিছু ব্যবসায়ীকেও গ্রেফতার করে নির্যাতন চালায়। অবশেষ দুই নেত্রীকেও গ্রেফতার করা হয়। যৌথ বাহিনী সৃষ্টি করে চালানো হয় অবর্ণনীয় নির্যাতন। এমনি এক পর্যায়ে ৭ মার্চ, ২০০৭ তারিখে যৌথ বাহিনী আমাকে নিজ বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে।
    গ্রেফতারের পর আমার বিরুদ্ধে এলাকার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিকে দিয়ে ৪টি চাঁদাবাজি মামলা করা হয়। যৌথ বাহিনীর প্ররোচণায় দুর্নীতি দমন কমিশন থেকে ২টি মামলা দায়ের করে এবং পরিবারের উপর চালানো হয় অকথ্য নির্যাতন। গ্রেফতারের সময় আমার সাথে যৌথ বাহিনীর আচরণ, দীর্ঘ ৬১৬ দিন কারাবরণের অভিজ্ঞতা এবং জরুরী সরকারের কর্মকান্ডকে কারাগার থেকে আমি যে ভাবে মূল্যায়ন করেছি তার ধারাবাহিক বিবরণ এই পুস্তকে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছি।
    তৃতীয় বিশ্বের রাজনীতিতে প্রতিহিংসার শিকার হয়ে কিভাবে রাজনীতিবিদরা লাঞ্ছিত হন, তাদের কিভাবে অনিশ্চয়তার মধ্যে রাজনীতি করতে হয় এবং সর্বোপরি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ব্যক্তিগতভাবে কি পরিমাণ নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে জীবন যাপন করতে হয়, তা এই পুস্তকখানা পাঠ করলে সামান্য হলেও উপলব্ধি করা যাবে। তৃতীয় বিশ্বে রাজনীতি যে একটা ধন্যবাদ বিবর্জিত কাজ, তা পুস্তকের বিষয়বস্তু থেকে পরিস্ফুটিত হবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস ।
    রাজনৈতিক নেতারা কারাগারে যান। সেখানে কিছু অভিজ্ঞতা এবং চেতনার সৃষ্টি হয়। কিন্তু জেল মুক্তির পর সব ভুলে গিয়ে আবার সনাতন রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। আমাদের রাজনৈতিক অপসংস্কৃতির কারণে জরুরী সরকারের সময়ে রাজনীতিবিদদের কি অবস্থা ছিল এবং তাদের সেই সময়কার অনুভূতিকে মনে করিয়ে দেয়ার জন্য এই পুস্তক সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। রাজনৈতিক অপসংস্কৃতি থেকে রাজনীতিবিদদের মুক্ত হতে অনুপ্রাণিত করতে পারে

    .5

    ৳ 344
  • রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও তৎকালীন সময়ের রাজনীতি (১৯৫৩-১৯৭১)

    এই পণ্যটি ৪ থেকে ৭ দিনের মধ্যে ডেলিভারি পাবেন

    Title রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও তৎকালীন সময়ের রাজনীতি (১৯৫৩-১৯৭১)
    Author
    Publisher
    ISBN 9789849744979
    Edition 1st Published, 2023
    Number of Pages 268
    Country বাংলাদেশ
    Language বাংলা
    ১৯২১ সালে পূর্ব বঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর আর কোন বিশ্ববিদ্যালয়প্রতিষ্ঠা হয়নি ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত । ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর পূর্ব বঙ্গের যে সীমানা নির্ধারণ হয়, সেই সীমানার মধ্যে উত্তরবঙ্গ পড়ে রাজশাহী বিভাগে । বিশাল সীমানা দুইটি বড় নদী পদ্মা ও যমুনা দ্বারা পূর্ব বঙ্গের রাজধানী ঢাকার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের পর থেকেই পূর্ব বঙ্গের রাজধানী ঢাকাতে পাকিস্তান বিরোধী আন্দোলন প্রকট আকার ধারণ করে । আর এই আন্দোলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়। ব্রিটিশ ভারতে বাংলার প্রধান শিক্ষার অফিস ছিল রাজশাহীতে। ১৮৭৩ সালে রাজশাহী কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়, তারপর থেকেই সারা বাংলার শিক্ষার মানের দিক থেকে কলিকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজের পরের স্থান দখল করে রাজশাহী কলেজে। সারা বাংলা থেকে রাজশাহী কলেজের পড়াশোনা করার জন্য ছাত্র ছাত্রীরা আসতো । ৫২-এর ভাষা আন্দোলনের পর পুর্ব বঙ্গের মানুষ যখন অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠলো । তখন পাকিস্তানে কেন্দ্রীয় সরকার, ব্রিটিশ সরকারের ‘ডিভাইড এন্ড রুল’ বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করতে লাগলো । ভাগ করো এবং শাসন করো । এমনটা কথা উঠছিল, পূর্ব বঙ্গ কে একটি আলাদা প্রদেশ করার ব্যাপারে। যাতে ঢাকার শক্তি দূর্বল হয়ে পড়ে। পাকিস্তান বিরোধী আন্দোলন স্থিমিত হয়ে পড়ে। তখন সারা পূর্ব বঙ্গে একটি মাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সারা পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলের মেধাবী ছাত্ররা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হতো, সারা বাংলার আর্থিক অবস্থা নিয়ে তাদের মতবিনিময় হতো। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পূর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ ছাত্র ছাত্রীরা ছিলেন পূর্ব বাংলার ভূস্বামী কিংবা সরকারি উচ্চ প্রদস্থ কর্মকর্তাদের সন্তান। ৪৭ সালে দেশ ভাগের পর বাংলার কৃষকের সন্তানেরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাই, তাদের সম্মুখে খোলসা হয়ে পড়ে পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠীর শাসন ও নিষ্পেষণ ।
    .5
    ৳ 430

Main Menu